1. admin@dainikprothomnews.com : admin :
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় চায়ের দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক সাতক্ষীরায় শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় আন্তজার্তিক মাতৃভাষা ও জাতীয় শহীদ দিবস পালিত সাতক্ষীরা জোন ট্যুরিস্ট পুলিশের আয়োজনে সুন্দরবন দিবস পালন সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫১৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক ১ সাতক্ষীরায় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ২০২৪ শীর্ষক র‌্যালি ও আলোচনা সভা সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ১ বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক-নার্স নেওয়ার ঘোষণা সৌদির শীতের রাতে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় হঠাৎ বন্যা! মূল্যবৃদ্ধি ও কালো টাকার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে

সাতক্ষীরায় জেঁকে বসেছে শীত, গরম কাপড়ের দোকানে উপচে পড়া ভিড়

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৮ জন দেখেছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরায় জেঁকে বসেছে শীত। পৌষ মাসের শেষ সপ্তাহে শীতের আক্রমণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। তীব্র শীতে স্বাভাবিক জীবন বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষরা।
শীতের কারণে মানুষ ঘর থেকে বাইরে কম আসায় নিম্ন আয়ের মানুষের আয় কমতে শুরু করেছে।

শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

শীত বাড়ায় বৃদ্ধ ও শিশুদের নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় পুরনো গরম কাপড়ের দোকানে বেশ ভিড় বেড়েছে।

এছাড়া শুক্রবার রাতে সাতক্ষীরার বেশ কিছু এলাকায় পুরনো কাপড়, কাগজ ও গাছের ডালপালা পুড়িয়ে আগুন পোহাতে দেখা যায় নিম্ন আয়ের মানুষদের।

শুক্রবার রাতে সাতক্ষীরা শহরের নিউ মার্কেট এলাকার বাদাম বিক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার বেচাকেনা খারাপ যাচ্ছে। অন্য সময় আমার বিক্রি হতো আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা। শীতের রাতে বিক্রি হচ্ছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা।

পাকাপোল মোড় এলাকার পিঠা বিক্রেতা রেজাউল করিম বলেন, শীতকাল আসায় আমার পিঠার দোকানে বেচাকেনা বেড়েছে। কিন্তু শীত হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় পিঠা বিক্রি কমতে শুরু করেছে। শীতের তীব্রতা বেশি থাকায় মানুষ ঘর থেকে বাইরে কম আসছে। এ কারণেই পিঠা বিক্রি কম হচ্ছে। দুইদিন আগেও পিঠা বিক্রি করেছি এক বাজার থেকে ১৫’শ টাকার। শুক্রবার রাতে পিঠা বিক্রি করেছে সাড়ে ৪’শ টাকার। শীত বাড়তে থাকলে বিক্রি আরও কমে যাবে।

শহরের কাটিয়া এলাকায় শুক্রবার শীতের সকালে কাজ করছিলেন রাজমিস্ত্রি আবুল কাদের। একটি দোকানে রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করছিলেন তিনি। কথা হলে তিনি বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই। আমাদের শীত, বৃষ্টি, রোদ বলে কিছু নেই। যখন কাজ থাকে তখনই কাজ করতে হয়। অনেক সময় টানা চার-পাঁচ দিন মিস্ত্রির কাজ পাই না, তখন বসে থাকতে হয়।

তিনি বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজমিস্ত্রির কাজ করে ৭০০ টাকা মজুরি পাই। এ টাকা দিয়ে আমি নিজে চলি ও গ্রামের বাড়ি শ্যামনগর বউ-বাচ্চার জন্য টাকা পাঠাই। যখন কাজ পাই না তখন জমানো টাকা ও মানুষের কাছ থেকে ধার-দেনা করে চলতে হয়।

ফুড অফিস মোড় এলাকার চা দোকানদার রবিউল ইসলাম বলেন, শীত বেড়ে যাওয়ার আমার চায়ের দোকানে বেচাকেনা কমতে শুরু করেছে। গত দুইদিন ধরে আমার বেচাকেনা খুবই কমে গেছে। মানুষজন ঘর থেকে বাইরে আসতে চাচ্ছেন না।

তিনি বলেন, আগে প্রতিদিন দোকানে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার বেচাকেনা করতাম। সেই বেচাকেনার প্রায় ৪৫ শতাংশ কমে এসেছে। এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা।

সংবাদ টি শেয়ার করে সহযোগীতা করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021-2024 দৈনিক প্রথম নিউজ
প্রযুক্তি সহায়তায় রি হোস্ট বিডি