1. admin@dainikprothomnews.com : admin :
সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
সাতক্ষীরার তালায় ধানবোঝাই ট্রাক উল্টে দুইজন নিহত সাতক্ষীরায় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী, দুর্নীতিগস্থ ও সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টিকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না সাতক্ষীরায় চারটি অস্ত্র, ২৯ রাউন্ড গুলি ও তিনটি ম্যাগাজিন জব্দ করেছে র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরায় তেলজাতীয় ফসল উৎপাদনে ৫ কৃষক পুরস্কৃত সাতক্ষীরায় কোন আম কবে পাড়া যাবে, জানালো জেলা প্রশাসন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে স্ত্রীর আত্মহত্যা! বাঁশেরবাদা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন সাতক্ষীরার আশাশুনিতে এসএসসি ২০০৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত আজ থেকে ব্যাংক-বীমা-অফিস-আদালত খুলছে ইরানের দাবি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র, লুকাতে চাচ্ছে ইসরায়েল

সাতক্ষীরায় মিনিকেট ধান চাষ করে প্রতারিত কৃষক; শতাধিক একর জমির ধান বিনষ্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৬ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৬৩ জন দেখেছে

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের উত্তর-পশ্চিম বিলের কৃষকরা মিনিকেট ধান চাষ করে প্রতারিত হয়েছেন। যার ফলে শতাধিক একর জমির ধান বিনষ্ট হয়েছে। চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে কৃষকরা।

কৃষক মনিরুল ও আব্দুস সবুরসহ অর্ধশত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক জানান, তারা আলিপুর ইউনিয়নের উত্তর-পশ্চিম বিলের কৃষকরা মাহমুদপুর বাজারের মেসার্স মাসুম ট্রেডার্স, আলিপুর ঢালীপাড়ার মনজুর সহ কয়েকটি বীজের দোকান হতে রড মিনিকেট জাতের বীজ কিনে ধান চাষ করে। কিন্তু ধান গাছের শীষ আসার পরে দেখা যায় ধানগুলো বি-৮১ জাতের ধান। ভূয়া বীজ চাষ করার কারনে ধান পাকার আগ মূহুর্ত্বে ধানের শীষ গুলো শুকিয়ে চিটায় পরিণত হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা আরো জানান, এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লক সুপারভাইজার(উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা)গণ আমাদেরকে কোন প্রকার পরামর্শ দেয়না। সরকার তাদেরকে নিয়োগ দিয়েছে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য কিন্তু তারা সারাদিন বিভিন্ন বীজ, সার ও কীটনাশকের দোকানে বসে গল্প গুজব আর চায়ের আড্ডায় মজগুল থাকে।

কৃষকরা আরো জানান, সঠিক বাজার তদারকির অভাবে ডিলার ও বীজ ব্যবসায়ী দোকানদারদের সহযোগিতায় ভাল মোড়কে ভূয়া বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। যার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি আমরা। লোন নিয়ে ও ধার-কর্য করে ভূয়া ধানের চাষ করে বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপনের আশংঙ্খায় আছি।

এব্যপারে বীজ সরবরাহকারী মাহমুদপুর বাজারের মেসার্স মাসুম ট্রেডাস এর স্বত্তাধিকারী মাসুম পারভেজ জানান, আমি তো বীজ বিক্রি করি প্যাকেটের ভেতরে কী আছে আমি তো জানিনা। কৃষকরা যা চেয়েছে আমি তাই দিয়েছি, এখানে আমার কী করার আছে? আলিপুরে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শওকত হায়দার ও ইমরুল কবির তাদের বিরুদ্ধে কৃষকদের করা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ৮১-২৮ জাতের ধানগুলো ঘের বা নীচু জমিতে ভাল হয়না এবং রড মিনিকেট ধান ভারতীয় বীজ।

আমরা তাদেরকে (কৃষক) ৫৮, ৫০, ৬৭, ৬৩ ও ৮৮ জাতের ব্রী ধান চাষের পরামর্শ দিয়ে ছিলাম কিন্তু কৃষকরা তা শোনেনি। আর ধানের শীষ শুকানো হল ব্লাস্ট রোগ, এটা ছত্রাক নাশক স্প্রে করলে ভাল কাজ দেয়, কিন্তু কৃষকরা সময়মত ছত্রাক নাশক স্প্রে করেনি। তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন শতশত বিঘা ধান নষ্টের দায় নিবে কে? ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের আর্তনাদ শুনবে কে?

 

 

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের উত্তর-পশ্চিম বিলের কৃষকরা মিনিকেট ধান চাষ করে প্রতারিত হয়েছেন। যার ফলে শতাধিক একর জমির ধান বিনষ্ট হয়েছে। চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে কৃষকরা।

অর্ধশত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক জানান, তারা আলিপুর ইউনিয়নের উত্তর-পশ্চিম বিলের কৃষকরা মাহমুদপুর বাজারের মেসার্স মাসুম ট্রেডার্স, আলিপুর ঢালীপাড়ার মনজুর সহ কয়েকটি বীজের দোকান হতে রড মিনিকেট জাতের বীজ কিনে ধান চাষ করে। কিন্তু ধান গাছের শীষ আসার পরে দেখা যায় ধানগুলো বি-৮১ জাতের ধান। ভূয়া বীজ চাষ করার কারনে ধান পাকার আগ মূহুর্ত্বে ধানের শীষ গুলো শুকিয়ে চিটায় পরিণত হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা আরো জানান, এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লক সুপারভাইজার(উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা)গণ আমাদেরকে কোন প্রকার পরামর্শ দেয়না। সরকার তাদেরকে নিয়োগ দিয়েছে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য কিন্তু তারা সারাদিন বিভিন্ন বীজ, সার ও কীটনাশকের দোকানে বসে গল্প গুজব আর চায়ের আড্ডায় মজগুল থাকে।

কৃষকরা আরো জানান, সঠিক বাজার তদারকির অভাবে ডিলার ও বীজ ব্যবসায়ী দোকানদারদের সহযোগিতায় ভাল মোড়কে ভূয়া বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। যার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি আমরা। লোন নিয়ে ও ধার-কর্য করে ভূয়া ধানের চাষ করে বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপনের আশংঙ্খায় আছি।

এব্যপারে বীজ সরবরাহকারী মাহমুদপুর বাজারের মেসার্স মাসুম ট্রেডাস এর স্বত্তাধিকারী মাসুম পারভেজ জানান, আমি তো বীজ বিক্রি করি প্যাকেটের ভেতরে কী আছে আমি তো জানিনা। কৃষকরা যা চেয়েছে আমি তাই দিয়েছি, এখানে আমার কী করার আছে? আলিপুরে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শওকত হায়দার ও ইমরুল কবির তাদের বিরুদ্ধে কৃষকদের করা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ৮১-২৮ জাতের ধানগুলো ঘের বা নীচু জমিতে ভাল হয়না এবং রড মিনিকেট ধান ভারতীয় বীজ।

আমরা তাদেরকে (কৃষক) ৫৮, ৫০, ৬৭, ৬৩ ও ৮৮ জাতের ব্রী ধান চাষের পরামর্শ দিয়ে ছিলাম কিন্তু কৃষকরা তা শোনেনি। আর ধানের শীষ শুকানো হল ব্লাস্ট রোগ, এটা ছত্রাক নাশক স্প্রে করলে ভাল কাজ দেয়, কিন্তু কৃষকরা সময়মত ছত্রাক নাশক স্প্রে করেনি। তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন শতশত বিঘা ধান নষ্টের দায় নিবে কে? ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের আর্তনাদ শুনবে কে?

সংবাদ টি শেয়ার করে সহযোগীতা করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021-2024 দৈনিক প্রথম নিউজ
প্রযুক্তি সহায়তায় রি হোস্ট বিডি