1. admin@dainikprothomnews.com : admin :
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় চায়ের দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক সাতক্ষীরায় শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় আন্তজার্তিক মাতৃভাষা ও জাতীয় শহীদ দিবস পালিত সাতক্ষীরা জোন ট্যুরিস্ট পুলিশের আয়োজনে সুন্দরবন দিবস পালন সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫১৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক ১ সাতক্ষীরায় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ২০২৪ শীর্ষক র‌্যালি ও আলোচনা সভা সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ১ বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক-নার্স নেওয়ার ঘোষণা সৌদির শীতের রাতে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় হঠাৎ বন্যা! মূল্যবৃদ্ধি ও কালো টাকার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে

সাতক্ষীরা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে শীতকালীন খেজুরের রসের ঐতিহ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৬৯ জন দেখেছে

সাতক্ষীরা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে শীতকালীন খেজুরের রসের ঐতিহ্য। হারিয়ে যাচ্ছে খেজুর গাছ। শীতের সঙ্গে খেজুরের রসের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

শীতকালে খেজুর থেকে মিষ্টি রস ও গুড় পাওয়া যায়। ফল হিসেবে খেজুরের জুড়ি নেই। শীতের মিষ্টি রোদে খেজুরের গুড় দিয়ে মুড়ি খেতে কে না ভালোবাসে?

এক সময় শীত মৌসুমে গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে পিঠা, পায়েস, ভাপা পিঠাসহ রসের গুড় ও মুড়ি, চিড়া, খই ও চিতই পিঠাসহ নানা ধরনের পিঠাপুলির উৎসব হতো।

কিন্তু রাস্তার দুপাশে আগের মত খেজুর গাছের সারি আর নেই। গ্রামের রাস্তা মেরামত ও নতুন খেজুর গাছ লাগাতে মানুষের অনীহার কারণে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও কিছু বাড়ির উঠোনের আশেপাশে দাঁড়িয়ে আছে কিছু খেজুর গাছ।

গ্রামীণ শৈলীতে রস আহরণের ঝুঁকি নিয়ে কোমরে দড়ি বেঁধে শীতের বিকেলে গাছে ছোট-বড় মাটির হাঁড়ি বেঁধে গাছগুলো এখনো রস সংগ্রহ করছে। আগে তারা এ কাঁচা রস এলাকার বিভিন্ন স্থানে ও বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো।

গাছি মকছেদ আলী বলেন, রাস্তা সংস্কারের কারণে খেজুর গাছ কেটে ফেলা হলেও কেউ তা লাগাচ্ছে না। বর্তমান যে হারে খেজুর গাছ কাটা হচ্ছে তাতে হয়তো আমাদের এলাকায় কোনো এক সময়ে খেজুর গাছ দেখা যাবে না।

এ বিষয়ে অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, খেজুর গাছ একদিকে যেমন গ্রামের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি অন্যদিকে সুস্বাদু খাবারের রসও পাওয়া যায়। এখন যদি খেজুর গাছ রক্ষণাবেক্ষণ না করা হয় এবং প্রতিস্থাপন করা হয়, তাহলে খেজুর গাছ শীঘ্রই বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
তাই সরকারি সহযোগিতার অভাবে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। কারণ নতুন খেজুর গাছ রোপণে মানুষ আগ্রহী নয়।

তাল গাছের মতো খেজুর গাছ লাগানোর জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রচারণা থাকলে খেজুর গাছের সংখ্যা আরও বাড়ত। তা না হলে ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খেজুর গাছের রস ক্রমশ হারিয়ে যাবে, হারিয়ে যাবে গ্রামবাংলার আরেক ঐতিহ্য। ‘

কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল হক বলেন, ‘গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খেজুর গাছের রস। শীত শুরু হওয়ায় গাছগুলো রস সংগ্রহের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত গাছিরা। খেজুর গাছ কাটা এক ধরনের শিল্প। এর জন্য প্রয়োজন বিশেষ দক্ষতা।

কারণ এই খেজুরের ডাল কেটে গাছের সাদা বুক বের করার কৌশল আছে, ধৈর্য আছে। এই খেজুরের রস থেকে বিভিন্ন ধরনের গুড় তৈরি করে গাছিরা। তাই খেজুর গাছ কেটে ফেলার কারণে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এই শিল্প। এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

সংবাদ টি শেয়ার করে সহযোগীতা করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021-2024 দৈনিক প্রথম নিউজ
প্রযুক্তি সহায়তায় রি হোস্ট বিডি